মুক্তিযুদ্ধের সঠিক তালিকা তৈরি, ৭ অক্টোবর ২০২৬‑এর পর নতুন আবেদন গ্রহণ হবে না
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এখনো জমা থাকা দুই লাখ তিন হাজারের কাছাকাছি আবেদন যাচাই করছে।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এখনো জমা থাকা দুই লাখ তিন হাজারের কাছাকাছি আবেদন যাচাই করছে। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা বাদ না পড়ে এবং কোনো ভুয়া নাম তালিকায় না আসে, এটাই লক্ষ্য। ৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের পরে নতুন আবেদন আর নেওয়া হবে না।
মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পার হওয়ার পরেও তালিকা চূড়ান্ত করা জরুরি। তিনি অতীতের ভুলগুলো ঠিক করতে এবং ইতিহাসকে নির্ভুল রাখতে জোর দিয়েছেন। পূর্বের সরকারে তৈরি করা ভুয়া তালিকা আর চলবে না; সব তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে যাচাই করা হবে।
বুধবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘শহীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনা তালিকা প্রণয়নের কৌশল’ শিরোনামে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অধ্যাপক আবু সাইয়েদ, কর্নেল (অব.) আমিনুল ইসলাম, ডা. সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্ত, মতিউর রহমান চৌধুরী, ডি. বি. এম. ওবায়দুল ইসলাম, ডা. রেদোয়ান আহমেদ, সাংবাদিক শাহেদ আলম, অধ্যাপক মো. মেহেদী হাসান খান, রুহিন হোসেন প্রিন্স, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) জয়নুল আবেদীন এবং প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।