ডেইলি বাংলাগ্রাম

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের বিমান ও কামান হামলা

শুক্রবার দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন স্থানে বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের বিমান ও কামান হামলা

শুক্রবার দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন স্থানে বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। একই সাথে রাজধানী বৈরুত এবং দক্ষিণের টায়ার শহরের ওপর দিয়ে বেশ নিচ দিয়ে বহু ইসরায়েলি ড্রোন চক্কর দেয়। নাবাতিয়েহ জেলার নাবাতিয়েহ আল-ফাওকার আলি আল-তাহের পাহাড়ের আশেপাশে যুদ্ধবিমান থেকে হামলা চালানো হয়। ওই জেলার জাওতার আল-শারকিয়া শহরের কাছে দফায় দফায় কামান থেকে গোলা নিক্ষেপ করা হয়। এর আগে রাতে জাওতার আল-শারকিয়া ও কাফার তিবনিতের মধ্যবর্তী স্থানে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এছাড়া হাসবাইয়া জেলার কাফার শৌবার খাল্লেত জুহায়ের এলাকায় ড্রোন থেকে একটি শব্দগ্রেনেড ফেলা হয় এবং মারজায়ুন জেলার কানতারা থেকে সালুকি অভিমুখী বনাঞ্চলেও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে দুই দিনব্যাপী সামরিক ও কারিগরি আলোচনার পর এই হামলাগুলো হলো। গত মঙ্গলবার শুরু হওয়া ওই আলোচনার কোনো ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি। এর আগে গত ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে একটি রূপরেখা চুক্তি হয়েছিল। এতে লেবাননের সেনাবাহিনী মোতায়েন ও সশস্ত্র দলগুলোকে নিরস্ত্র করার বিনিময়ে দখলকৃত অঞ্চল থেকে পর্যায়ক্রমে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের কথা বলা হয়। তবে এই প্রক্রিয়া কেবল ফ্রউন, স্রিফা ও জাওতার আল-গারবিয়া নামের তিনটি শহরে প্রয়োগ করা হয়েছে। এখনও দক্ষিণ লেবাননের ৫০টির বেশি শহর ইসরায়েলের দখলে রয়েছে।

চুক্তি থাকা সত্ত্বেও লেবাননে ইসরায়েলি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গত ২ মার্চ থেকে চলা এসব হামলায় দেশটিতে কমপক্ষে ৪ হাজার ৩৮৬ জন নিহত এবং ১২ হাজার ৪০৭ জন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ১০ লাখেরও বেশি মানুষ। একই সঙ্গে দক্ষিণ লেবাননের পুরোনো এবং সাম্প্রতিক সময়ে দখল করা বিভিন্ন অঞ্চল এখনও নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে ইসরায়েল।