টানা ছুটিতে বান্দরবানে পর্যটকের ঢল, হোটেল-রিসোর্টে শতভাগ বুকিং
দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে পাঁচ দিনের অবকাশে বান্দরবানে পর্যটকদের ব্যাপক সমাগম ঘটেছে।
দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে পাঁচ দিনের অবকাশে বান্দরবানে পর্যটকদের ব্যাপক সমাগম ঘটেছে। করোনা মহামারির পর এই প্রথম জেলা সদর ও বিভিন্ন উপজেলার সব হোটেল-মোটেল এবং রিসোর্টের শতভাগ কক্ষ আগাম বুকিং হয়ে গেছে। জেলা শহরসহ রুমা, থানচি, আলীকদম ও লামা উপজেলায় প্রায় ২৫০টি আবাসন প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১৩ থেকে ১৪ হাজার পর্যটক রাত যাপন করতে পারেন। তবে অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে নতুন করে আসা অনেকেরই আবাসন সংকট হতে পারে।
মঙ্গলবার সকাল থেকেই নীলাচল, মেঘলা ও শৈলপ্রপাতসহ দর্শনীয় কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকদের আনাগোনা বাড়ে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রংপুর ও কুমিল্লাসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ভ্রমণপিপাসুরা পাহাড়ে এসেছেন। অনেকে আবার বগালেক, কেওক্রাডং, চিম্বুক ও নীলগিরি ঘুরে কক্সবাজার যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন। সকাল থেকেই চাঁদের গাড়ির স্টেশনে যানবাহনের জন্য দীর্ঘ সারি দেখা যায়। দুপুর পর্যন্ত প্রায় ৪২০টি গাড়ির মধ্যে ৪০০টি পর্যটক নিয়ে বিভিন্ন রুটে চলে গেছে। ফলে আজ ও আগামীকাল বুধবার পর্যটকবাহী গাড়ির সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিভিন্ন হোটেল ও মোটেল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় কোনো কক্ষ খালি নেই। মাঝে ২৫ ও ২৬ অক্টোবর চাপ কিছুটা কমলেও মাসের শেষ পর্যন্ত তা আবারও বাড়বে। দুর্গাপূজার পরপরই ২৫ থেকে ২৭ অক্টোবর মারমা বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী ওয়াগ্যোয়াই পোয়ে বা প্রবারণা উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। এই উৎসব ও পরবর্তী সাপ্তাহিক ছুটির কারণে পুরো মাস জুড়েই পর্যটকদের এমন ভিড় বজায় থাকবে।