চট্টগ্রাম ও রানং বন্দরের মধ্যে সরাসরি নৌ যোগাযোগ চালুর আলোচনা
বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে সরাসরি সমুদ্রপথে যোগাযোগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে সরাসরি সমুদ্রপথে যোগাযোগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বুধবার নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত থিতিপর্ণ চিরাসাওয়াদি। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে থাইল্যান্ডের রানং বন্দরের সরাসরি নৌ সংযোগ চালুর বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
থাই রাষ্ট্রদূত জানান, এই দুই বন্দরের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপিত হলে বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক আঞ্চলিক বাণিজ্যের পরিধি বাড়বে। এর ফলে পণ্য পরিবহনের সময় ও খরচ উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে উভয় দেশের ব্যবসায়ীরা উপকৃত হবেন এবং নতুন বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে দুই দেশের সামগ্রিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও গতিশীল হবে।
উদ্যোগটিকে স্বাগত জানিয়ে মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য নৌপরিবহন খাতের আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বৃদ্ধি প্রয়োজন। চট্টগ্রাম ও রানং বন্দরের সরাসরি সংযোগ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দেন তিনি। বৈঠকে নৌপরিবহন সচিব জাকারিয়াসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।