ডেইলি বাংলাগ্রাম

কিসমত‑জাফরাবাদ প্লটে ১১৫ পরিবার প্লট পাইনি, ২ কোটি টাকা আত্মসাৎ

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কিসমত-জাফরাবাদ আবাসন প্লট প্রকল্পের পরিকল্পনা নেওয়া হয় ২০১৫ সালের জুলাই মাসে। অভিযোগ উঠেছে, প্রভাবশালী একটি চক্র গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের প্রকৌশলী ও ঠিকাদারের যোগসাজশে শুরুতে মাটি ভরাট না করেই ভুয়া বিল-ভাউচার দিয়ে ২ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। একের পর...

কিসমত‑জাফরাবাদ প্লটে ১১৫ পরিবার প্লট পাইনি, ২ কোটি টাকা আত্মসাৎ

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কিসমত‑জাফরাবাদ আবাসন প্লট প্রকল্পে ২০১৫ সালের জুলাই মাসে পরিকল্পনা শুরু হয়। তবে প্রভাবশালী একটি গোষ্ঠী প্রকৌশলী ও ঠিকাদারের সহায়তায় মাটি ভরাট না করেই ভুয়া বিল‑ভাউচার দিয়ে ২ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে। এর ফলে ১১৫ পরিবার এখনও প্লট পায়নি এবং প্রকল্পটি ১১ বছর ধরে অচল রয়েছে।

গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয় ২৬ আগস্ট উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে, যার প্রধান হিসেবে পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও প্রশাসন) আজিজ হায়দার ভূঁইয়া নিযুক্ত হয়। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তিনটি পৃথক মামলা দায়ের করেছে এবং চারজন প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মামলা চালু রয়েছে। প্রকল্পের মূল বাজেট ৪,২৩৭.২১ লাখ টাকা, যা ২০১৫‑২০১৭ সময়ে অনুমোদিত হয়; পরে ব্যয় বাড়িয়ে ৫,৬৫০.০৯ লাখ টাকা করা হয়েছে, ফলে অতিরিক্ত ১,৪৪২.৮৮ লাখ টাকা আত্মসাতের চেষ্টা করা হয়েছে।

অনুসন্ধানে প্রকাশিত হয়েছে যে গোপালগঞ্জের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও উপসহকারী প্রকৌশলী আশরাফুজ্জামান পলাশ, কুমিল্লা পলিটেকনিকের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মো. অলিউল ইসলাম এবং মিরপুর গৃহসংস্থার বিভাগ‑২‑এর নির্বাহী প্রকৌশলী কাওসার মোর্শেদ এই প্রকল্পে জড়িত ছিলেন। জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ফেরদৌসী বেগম জানান, তিনি প্রকল্প সম্পর্কে অজ্ঞ ছিলেন, তবে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।