ডেইলি বাংলাগ্রাম

সরকারি এলপিজি বিতরণে অনিয়মের নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি হামিদুর রহমান আযাদের

সরকারি ভর্তুকির এলপিজি সিলিন্ডার সাধারণ মানুষ না পেয়ে সিন্ডিকেটের কবলে পড়ার অভিযোগ তুলেছেন ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ।

সরকারি এলপিজি বিতরণে অনিয়মের নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি হামিদুর রহমান আযাদের

সরকারি ভর্তুকির এলপিজি সিলিন্ডার সাধারণ মানুষ না পেয়ে সিন্ডিকেটের কবলে পড়ার অভিযোগ তুলেছেন ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য। সরকারি এলপিজি বিতরণব্যবস্থার দুর্নীতি ও অনিয়ম খতিয়ে দেখতে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি। সোমবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ আহ্বান জানান।

ফেসবুক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, সরকারি ১২ কেজি এলপিজির নির্ধারিত দাম ৭৭৭ টাকা হলেও বেসরকারি পর্যায়ে এর খুচরা মূল্য ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। বাজারে প্রতি বছর ১৮ থেকে ২০ লাখ সরকারি সিলিন্ডার সরবরাহ করা হয়। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, এগুলো সাধারণ ক্রেতাদের কাছে না গিয়ে ভুয়া ডিলার ও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বেসরকারি গুদামে চলে যায়। পরবর্তীতে সেগুলো রিফিল করে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি করা হয়। এতে প্রতি বছর সরকারের প্রায় ১৫০ কোটি টাকা আত্মসাৎ হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, জনগণের অর্থে দেওয়া ভর্তুকির সুবিধা কোনো অসাধু মহলের মুনাফা করার হাতিয়ার হতে পারে না। ভর্তুকির মূল লক্ষ্য সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো। তাই প্রকৃত গ্রাহকদের কাছে এই সুবিধা পৌঁছে দেওয়া জরুরি। তিনি পুরো বণ্টন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং সংশ্লিষ্ট সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কার্যকর আইনি ব্যবস্থা নিতে কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান।