ডেইলি বাংলাগ্রাম

টঙ্গীতে মাদ্রাসার ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ার কথা জানাল পুলিশ

গাজীপুরের টঙ্গীতে সাত বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে পুলিশ।

টঙ্গীতে মাদ্রাসার ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ার কথা জানাল পুলিশ

গাজীপুরের টঙ্গীতে সাত বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে পুলিশ। শনিবার মাদ্রাসায় গিয়ে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজসহ বিভিন্ন আলামত জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার শিক্ষক মোসলেম আহম্মদ (৩০) বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ভুক্তভোগী শিশুটির জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত ১৯ অক্টোবর প্রথম শ্রেণির ওই শিক্ষার্থীকে মাদ্রাসার সিঁড়িতে যৌন নিপীড়ন করা হয়। পরে ঘটনাটি জানতে পেরে ২১ অক্টোবর শিশুটির স্বজনেরা মাদ্রাসায় যান। সেখানে শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন তাঁকে মারধর করেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে ওই শিক্ষককে উদ্ধার করে আনে। এরপর শিশুটির বাবার করা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। শিক্ষককে মারধরের একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এদিকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষ পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তুলেছে। মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলমাছ হোসেনের দাবি, শিশুটির বাবার নেতৃত্বে একদল লোক এসে শিক্ষক ও কর্মীদের মারধর করেছে। একই সঙ্গে কার্যালয় ভাঙচুর করে ১৭ লাখ টাকা ও ৫টি মুঠোফোন লুট করা হয়েছে বলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ থানায় অভিযোগ দিয়েছে। তবে টাকা লুট ও ভাঙচুরের অভিযোগ নাকচ করেছেন শিশুটির বাবা। তিনি জানান, কোনো বিশৃঙ্খলা করতে নয়, বরং বিচার চাইতে মাদ্রাসায় গিয়েছিলেন। তিনি নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন।