হবিগঞ্জে প্লট বরাদ্দের লটারি স্থগিত, নতুন করে আবেদন নেওয়ার সিদ্ধান্তে ক্ষোভ
হবিগঞ্জে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের একটি আবাসিক প্রকল্পে আট মাস ধরে প্লট বরাদ্দের লটারি আটকে আছে।
হবিগঞ্জে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের একটি আবাসিক প্রকল্পে আট মাস ধরে প্লট বরাদ্দের লটারি আটকে আছে। ১৩২টি প্লটের বিপরীতে ৬৯৬ জন প্রার্থী প্রায় পাঁচ কোটি টাকা জামানত দিয়ে অপেক্ষায় আছেন। এর মধ্যেই স্থানীয় সংসদ সদস্যের অনুরোধে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে নতুন করে আবেদন নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। হঠাৎ এমন সিদ্ধান্তে প্লটপ্রত্যাশীদের মধ্যে চরম হতাশা ও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
হবিগঞ্জ শহরতলির ধুলিয়াখালে ২০১৬ সালে স্বল্প ও মধ্যম আয়ের মানুষের জন্য সাড়ে ১৬ একর জমিতে এই প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে প্লটের আবেদন নেওয়ার কাজ শেষ হয়। আড়াই থেকে পাঁচ কাঠা ও তার বেশি আয়তনের প্লটের জন্য আবেদনকারীদের কাছ থেকে দেড় থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত জামানত নেওয়া হয়েছিল। সম্প্রতি হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও হুইপ জি কে গউছ নতুন করে আবেদন নেওয়ার জন্য গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন। তাঁর যুক্তি, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নেওয়া এ প্রক্রিয়ার কথা অনেকে জানতেন না, তাই সবার অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন।
গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের সিলেট বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নেজামুল হক মজুমদার জানান, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় পুনরায় আবেদন গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। আগের ও নতুন সব আবেদন একসঙ্গে লটারিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এদিকে আট মাস পর নতুন করে আবেদন গ্রহণের প্রক্রিয়াকে রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর চেষ্টা হিসেবে দেখছেন স্থানীয় প্রার্থীরা। আবেদনকারীদের শেষ সম্বল দীর্ঘদিন আটকে না রেখে জমা পড়া আবেদনগুলো থেকেই দ্রুত নিরপেক্ষ লটারির মাধ্যমে প্লট বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।