ফ্রান্সে তীব্র বিক্ষোভ: বন্ধ লুভর জাদুঘর, প্যারিসে বিপাকে পর্যটকেরা
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে ফ্রান্সে ছড়িয়ে পড়া তীব্র বিক্ষোভের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো বিদেশি পর্যটক।
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে ফ্রান্সে ছড়িয়ে পড়া তীব্র বিক্ষোভের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো বিদেশি পর্যটক। রাজধানী প্যারিসের রাস্তায় বিক্ষোভ, যানজট ও কাঁদানে গ্যাসের কারণে দেশটির প্রায় ১ হাজার ৪০০ কোটি ইউরো (১ হাজার ৬০০ কোটি ডলার) মূল্যের পর্যটন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এমনকি বিক্ষোভকারীরা বিশ্বখ্যাত লুভর জাদুঘরের কাচের পিরামিডের প্রবেশপথ আটকে দেওয়ায় তা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে দূরদূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীদের ভ্রমণ পরিকল্পনা হঠাৎ বাতিল করতে হচ্ছে।
গত শনিবার ফ্রান্সজুড়ে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ রাস্তায় নেমে তীব্র প্রতিবাদ জানান। শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভের পেছনে মূল ভূমিকা রাখছে ‘ইয়েলো ভেস্টস’ আন্দোলন। তারা আগামী শনিবারও নতুন বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার নির্দিষ্ট এলাকায় কারফিউ জারির বিষয়টি বিবেচনা করছে। এদিকে প্যারিসের রাস্তায় আগুন ও ভাঙা কাচের কারণে অনেক এলাকা যুদ্ধক্ষেত্রের মতো রূপ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন ঘুরতে আসা বিদেশি পর্যটকেরা।
অস্ট্রেলিয়া থেকে ২০ ঘণ্টার বেশি সময় বিমান ভ্রমণ করে প্যারিসে এসে লুভর জাদুঘর বন্ধ পান ৭৩ বছর বয়সী অ্যান বোল্যান্ড। তিনি অন্য পর্যটকদের এখন প্যারিসে না এসে বাড়িতে থাকার পরামর্শ দেন। শার্ল দ্য গল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ট্যাক্সিচালকেরা নতুন আসা যাত্রীদের পথ আটকে যাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে মার্কিন দূতাবাসসহ বিভিন্ন দেশ ফ্রান্সে অবস্থানরত তাদের নাগরিকদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে।