ডেইলি বাংলাগ্রাম

হুথিদের অভ্যুত্থান অবসান না হওয়া পর্যন্ত সামরিক অভিযান চলবে: ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট

হুথিদের অভ্যুত্থানের অবসান এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের প্রধান রাশাদ আল-আলিমি।

হুথিদের অভ্যুত্থান অবসান না হওয়া পর্যন্ত সামরিক অভিযান চলবে: ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট

হুথিদের অভ্যুত্থানের অবসান এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের প্রধান রাশাদ আল-আলিমি। মঙ্গলবার দেশটির ১৯৬৩ সালের ১৪ অক্টোবরের বিপ্লবের ৬৩তম বার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক ভাষণে তিনি এই ঘোষণা দেন। তিনি জানান, ইরানি মদদপুষ্ট হুথিদের হটিয়ে যুদ্ধ ও শান্তির সিদ্ধান্ত এককভাবে সাংবিধানিক কাঠামোর অধীনে আনাই ‘ডন অব ইয়েমেন’ অভিযানের মূল লক্ষ্য। যেকোনো ত্যাগের বিনিময়ে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে এবং সেখান থেকে ফিরে আসার সুযোগ নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

উত্তেজনা প্রশমনের সব পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরই এই অভিযান শুরু হয়েছে বলে আলিমি দাবি করেন। তিনি জানান, তাইজ প্রদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করা এবং নাগরিকদের খাদ্য ও ওষুধসহ জরুরি মানবিক সহায়তা দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হুথি নিয়ন্ত্রিত এলাকার সাধারণ মানুষ অভিযানের লক্ষ্যবস্তু নয় উল্লেখ করে তিনি সন্তানদের সশস্ত্র গোষ্ঠীতে না পাঠানোর আহ্বান জানান। একই সঙ্গে প্রতিবেশী সৌদি আরবের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনায় হুথিদের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি রিয়াদের নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় ২০২২ সালে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পর চলতি বছরের জুলাই মাস থেকে দেশটিতে এই বড় ধরনের সামরিক সংঘাত শুরু হয়। এর আগে ২০১৪ সালে হুথিরা রাজধানী সানাসহ ইয়েমেনের ২২টি প্রদেশের বেশ কয়েকটি দখল করে নেয়। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন জানিয়ে প্রতিবেশী সৌদি আরবের নেতৃত্বে একটি আরব জোট দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপ করে।