নাইজেরিয়ায় লাসা জ্বরে ২৬৮ জনের মৃত্যু, ছড়িয়েছে ২৪ অঙ্গরাজ্যে
নাইজেরিয়ায় লাসা জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ২৬৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।
নাইজেরিয়ায় লাসা জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ২৬৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২০২৬ সালে দেশটির ২৪টি অঙ্গরাজ্যের ১১৯টি স্থানীয় সরকার এলাকায় রোগটি ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে এখন পর্যন্ত ১,১৩৮ জন নিশ্চিত রোগী শনাক্ত হয়েছে। দেশটির রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ বছর মৃত্যুহার বেড়ে ২৩ দশমিক ৬ শতাংশে পৌঁছেছে। গত বছরের একই সময়ে এই হার ছিল ১৮ দশমিক ৬ শতাংশ। চলতি বছরের প্রথম ৪০ সপ্তাহে সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮,৪১৪ জনে।
২০২৫ সালের একই সময়ে লাসা জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিল ৯২৪ জন এবং মারা গিয়েছিল ১৭২ জন। সেই তুলনায় চলতি বছর সংক্রমণ ও মৃত্যু দুটোই বেড়েছে। তবে সার্বিক সংখ্যা বাড়লেও ৪০তম সপ্তাহে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা কমে তিনজনে নেমে এসেছে। চলতি বছর মোট আক্রান্তের ৮৮ শতাংশই পাঁচটি অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দা। এর মধ্যে ওন্দোতে সর্বোচ্চ ৩৬ শতাংশ রোগী শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া বাউচিতে ২৩, তারাবায় ১২, এদোতে ১১ এবং বেনুয়ে অঙ্গরাজ্যে ৬ শতাংশ রোগী পাওয়া গেছে।
দেরিতে হাসপাতালে যাওয়া, অতিরিক্ত চিকিৎসা ব্যয় এবং অসচেতনতাকে মৃত্যুর অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে কর্তৃপক্ষ। লাসা জ্বর একটি তীব্র ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত সংক্রমিত ইঁদুরের সংস্পর্শে আসা খাবারের মাধ্যমে ছড়ায়। এছাড়া আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শেও মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমণ হতে পারে। রোগটি থেকে বাঁচতে চারপাশ পরিষ্কার রাখা, খাবার ঢেকে রাখা এবং বর্জ্য সঠিকভাবে অপসারণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জ্বর, দুর্বলতা বা মাথাব্যথার মতো লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসা নিতে বলা হয়েছে।