ডেইলি বাংলাগ্রাম

৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর চুয়েট উপাচার্যকে বের করে আনলেন ডিসি ও এসপি

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম প্রায় ৩০ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্ত হয়েছেন।

৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর চুয়েট উপাচার্যকে বের করে আনলেন ডিসি ও এসপি

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম প্রায় ৩০ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্ত হয়েছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার পর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা ও পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম তাঁকে প্রশাসনিক ভবন থেকে বের করে নেন। শিক্ষার্থীরা জানান, ক্যাম্পাসে আর কখনো ফিরে না আসার শর্তে তাঁকে যেতে দেওয়া হয়েছে।

এর আগে বিকেল পাঁচটার দিকে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার ক্যাম্পাসে পৌঁছান। পরে সিভিল সার্জনকে সঙ্গে নিয়ে তাঁরা ভবনের ভেতরে প্রবেশ করেন এবং অসুস্থ উপাচার্যসহ সেখানে আটকে পড়াদের অ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে যান। শিক্ষার্থীদের পক্ষে যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আহনাফ শাহরিয়ার অভিযোগ করেন, উপাচার্য শিক্ষকদের হুমকি দিয়েছেন, বেতন আটকেছেন এবং তালা ভেঙে দপ্তরে ঢুকেছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উপাচার্যের চিকিৎসার প্রয়োজনেই শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই তাঁকে উদ্ধার করা হয়েছে।

গত ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের উপাচার্য করা হয়। এর পরদিন থেকেই সাবেক উপাচার্যকে বহাল রাখার দাবিতে শিক্ষার্থীরা শাটডাউন এবং শিক্ষক-কর্মচারীরা কর্মবিরতি শুরু করেন, যার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। আন্দোলনের কারণে নতুন উপাচার্য ক্যাম্পাসে ঢুকতে না পারলেও গতকাল ছাত্রদল নেতাদের সঙ্গে নিয়ে তালা ভেঙে নিজ কার্যালয়ে প্রবেশ করেছিলেন।