২০৩০ সালের মধ্যে খাদ্য মজুদের সক্ষমতা ৩৪ লাখ টনে নেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের
দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করতে ২০৩০ সালের মধ্যে সরকারি খাদ্যশস্য মজুদের ক্ষমতা ৩৪ লাখ টনে উন্নীত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করতে ২০৩০ সালের মধ্যে সরকারি খাদ্যশস্য মজুদের ক্ষমতা ৩৪ লাখ টনে উন্নীত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার দুপুরে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এই কথা জানান। তিনি বলেন, দেশে খাদ্যশস্যের মজুদ এখন সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে খাদ্য অধিদপ্তরের আওতাধীন স্থাপনাগুলোর মোট ধারণক্ষমতা ২৪ লাখ ৯ হাজার টন। তবে জরাজীর্ণ অবস্থা ও নদীভাঙনের জন্য প্রায় ৯২ হাজার টন ধারণক্ষমতার গুদাম ব্যবহার করা যাচ্ছে না। সেগুলো সংস্কার করে আবার চালুর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ব্রিফিংয়ে পণ্যের বাজার ও জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়েও তথ্য দেওয়া হয়। এলপিজি সিলিন্ডারের কৃত্রিম সংকট বন্ধে জেলা প্রশাসকদের তালিকা প্রস্তুত ও নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অক্টোবর মাসের প্রথম ১১ দিনে দেশজুড়ে ৩৬৮টি অভিযানে ৭২৮টি প্রতিষ্ঠানকে ৭১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতির বিষয়ে উপদেষ্টা জানান, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে সফলভাবে নিউক্লিয়ার ফিশন চেইন রিঅ্যাকশন শুরু হয়েছে। দ্রুতই এই ইউনিট থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে। এ ছাড়া বস্ত্র ও তাঁতশিল্পের সুরক্ষায় ঢাকাই মসলিন ও জামদানিসহ ১০টি ঐতিহ্যবাহী তাঁত পণ্য জিআই নিবন্ধন পেয়েছে।
সামাজিক ও পরিবেশগত নানা উদ্যোগের কথা জানিয়ে উপদেষ্টা আরও বলেন, ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে কর্মজীবী নারীদের সহায়তায় নতুন ২১টি ডে-কেয়ার সেন্টারের কার্যক্রম অনুমোদনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয়েছে। ইউনিয়ন পর্যায়ে খেলার মাঠ তৈরি এবং জাতীয় ক্রীড়াবিদদের জন্য বীমা সুবিধা চালুর নির্দেশনা রয়েছে। অন্যদিকে, পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর জাতীয় লক্ষ্যের আওতায় গত সাত মাসে ৩ কোটি ৫৭ লাখ চারা রোপণ করা হয়েছে।