আটকে রাখায় দিদিমার শেষকৃত্যে যেতে পারেননি অভিজিৎ দীপকে, দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে পরিবারের অভিযোগ
ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আহ্বায়ক অভিজিৎ দীপকেকে সময়মতো মুক্তি না দেওয়ায় তিনি দিদিমার শেষকৃত্যে অংশ নিতে পারেননি বলে অভিযোগ করেছে তাঁর পরিবার।
ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আহ্বায়ক অভিজিৎ দীপকেকে সময়মতো মুক্তি না দেওয়ায় তিনি দিদিমার শেষকৃত্যে অংশ নিতে পারেননি বলে অভিযোগ করেছে তাঁর পরিবার। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের আগে শনিবার (১১ অক্টোবর, ২০২৬) দিল্লিতে অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করে পুলিশ। পরে রবিবার (১২ অক্টোবর, ২০২৬) তাঁদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে হাজির করে এক বছর শান্তি বজায় রাখার শর্তে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে পরিবারের দাবি, বারবার অনুরোধ জানানো সত্ত্বেও শেষকৃত্যে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিতে পুলিশ তাঁকে দ্রুত মুক্তি দেয়নি।
মহারাষ্ট্রের হিঙ্গোলি জেলায় শনিবার অভিজিতের ৮৫ বছর বয়সী দিদিমা সাবিত্রীবাঈ শঙ্কররাও দীপকে বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান এবং রবিবার সকালে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। অভিজিতের চাচা বিলাস দীপকে জানান, তিনি অন্তত ১০ বার হাতজোড় করে পুলিশকে অনুরোধ করেছিলেন, কিন্তু কাজ হয়নি। ফলে অভিজিৎ কেবল চিতাভস্ম সংগ্রহের সময় থাকতে পারবেন। এদিকে ভোটার তালিকা সংশোধনে অনিয়মের অভিযোগে সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে রবিবার যন্তর মন্তরে নতুন করে বিক্ষোভের ডাক দেয় সিজেপি। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজধানীতে ৩০ হাজারের বেশি পুলিশ ও আধাসামরিক সদস্য মোতায়েন করা হয়।
তবে পরিবারের অভিযোগ অস্বীকার করেছে দিল্লি পুলিশ। তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দিদিমার মৃত্যুর খবরটি যথাসময়ে অত্যন্ত সংবেদনশীলতার সঙ্গে অভিজিৎ দীপকেকে জানানো হয়েছিল। মানবিক কারণে তাঁকে শেষকৃত্যে যাওয়ার সব ধরনের সহায়তার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অভিজিৎ নিজেই সেই সুবিধা নিতে অস্বীকৃতি জানান বলে পুলিশ দাবি করেছে।