দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ তীব্র, বেআইনি আটক না করার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে রবিবার দিল্লির কনট প্লেসে তরুণদের বিক্ষোভ তীব্র আকার ধারণ করেছে।
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে রবিবার দিল্লির কনট প্লেসে তরুণদের বিক্ষোভ তীব্র আকার ধারণ করেছে। সেখানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং বহু বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এক বিশেষ শুনানিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও ভি মোহানার সুপ্রিম কোর্ট বেঞ্চ নির্দেশ দেয় যে, শান্তিপূর্ণভাবে সমবেত হওয়া মানুষদের বেআইনিভাবে আটক করা যাবে না। একই সঙ্গে রাজধানীতে স্বাভাবিক মেট্রো পরিষেবা ও ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করতে এবং আইনজীবী ও সাংবাদিকদের পেশাগত কাজে বাধা না দিতে কেন্দ্রীয় সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রাজধানীর বিক্ষোভ দমন ও ধরপাকড় নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি অভিযোগ করেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তরুণ সমাজকে নিশানা করছেন এবং রাজধানীকে একটি কারাগারে পরিণত করেছেন। এদিকে বিক্ষোভ চলাকালীন সংবাদকর্মীদের আটকের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ‘কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস’। বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই নেহা বোরাকে আটক করা হয় এবং পুলিশ প্রেস ক্লাব অব ইন্ডিয়ায় প্রবেশ করে বলেও খবর পাওয়া গেছে।
অন্য ঘটনায়, দিল্লির বিক্ষোভের আগে আটক হওয়া ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি একটি ভিডিওতে নিজের পাসপোর্ট দেখিয়ে জার্মান নাগরিক হওয়ার দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। তিনি স্পষ্ট জানান যে তিনি একজন ভারতীয় নাগরিক। অন্যদিকে, মুম্বইয়ের শিবাজী পার্কে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র সমর্থনে আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে সমাজকর্মী অঞ্জলি দামানিয়াসহ বহু মানুষকে আটক করেছে স্থানীয় পুলিশ।