দিল্লিতে আটক বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশের মারধরের অভিযোগ এসএফআই ও আইসার
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলাকালে শিক্ষার্থীদের বেআইনিভাবে আটক ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে।
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলাকালে শিক্ষার্থীদের বেআইনিভাবে আটক ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে। স্টুডেন্টস ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া (এসএফআই) এবং অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (আইসা) এই অভিযোগ তুলেছে। ছাত্রসংগঠনগুলোর দাবি, পুলিশ ভ্যানের ভেতর আন্দোলনকারীদের আটকে রেখে মারধর ও হয়রানি করা হয়েছে।
এসএফআই জানিয়েছে, দিল্লির সুরজমল স্টেডিয়াম ও কনট প্লেস এলাকা থেকে শত শত নেতাকর্মীকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে এসএফআইয়ের সর্বভারতীয় সভাপতি আদর্শ এম সাজি এবং দিল্লি রাজ্য সম্পাদক সুরজ এলামনও রয়েছেন। আন্দোলনকারীদের শেয়ার করা ভিডিওতে আদর্শ এম সাজির কপাল থেকে রক্ত ঝরতে দেখা গেছে। নারী শিক্ষার্থীদের পুরুষ পুলিশ সদস্যরা মারধর করেছেন এবং অনেকের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া মধ্য দিল্লিতে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় সিপিআই(এম) সংসদ সদস্য জন ব্রিটাসকেও পুলিশ আটক ও হেনস্তা করে।
বিক্ষোভকারীরা যাতে যন্তর মন্তরে পৌঁছাতে না পারেন, সেজন্য মধ্য দিল্লি জুড়ে কড়া বিধিনিষেধ ও ব্যারিকেড বসিয়েছে পুলিশ। শনিবার দিল্লির বিভিন্ন প্রবেশমুখে অভিযান চালিয়ে সাত হাজারের বেশি বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাস এবং নেহা ভোরার মতো নেতারাও রয়েছেন। তবে ব্যাপক পুলিশি বাধা সত্ত্বেও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে ছাত্রসংগঠনগুলো।