ডেইলি বাংলাগ্রাম

দিল্লিতে পুলিশি আটকের পর পরিস্থিতিকে ‘সুপার এমার্জেন্সি’ বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকা সংশোধনের (এসআইআর) বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে দিল্লি পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

দিল্লিতে পুলিশি আটকের পর পরিস্থিতিকে ‘সুপার এমার্জেন্সি’ বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকা সংশোধনের (এসআইআর) বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে দিল্লি পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার দিল্লির সাউথ অ্যাভিনিউতে দলীয় নেতাদের সঙ্গে অবস্থান বিক্ষোভে বসার পর পুলিশ তাঁদের আটক করে। এই পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, রাজধানীর বর্তমান পরিস্থিতি সাধারণ জরুরি অবস্থাকে ছাড়িয়ে ‘সুপার এমার্জেন্সি’ বা চরম জরুরি অবস্থায় রূপ নিয়েছে।

ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ডাকে যন্তর মন্তরে আয়োজিত বিক্ষোভে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন তৃণমূলের প্রতিনিধিরা। সেখান থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে পুলিশ তাঁদের পথ আটকে দেয়। এরপর সাউথ অ্যাভিনিউয়ের একটি বাসস্ট্যান্ডে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও'ব্রায়েন, দোলা সেন, সমীরুল ইসলাম, প্রতিমা মণ্ডল ও সাকেত গোখলে অবস্থানে বসেন। সেখানে মুখে প্রতীকী ব্যান্ড-এইড লাগিয়ে ও প্ল্যাকার্ড হাতে প্রতিবাদ জানান তৃণমূল নেত্রী। তিনি মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া এবং ভোটার তালিকায় অনিয়মের তদন্ত দাবি করেন।

নিরাপত্তা ও নিয়মের কারণ দেখিয়ে পুলিশ আগে থেকেই যন্তর মন্তরের কর্মসূচির অনুমতি বাতিল করেছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, শিক্ষার্থী ও রাজনৈতিক নেতাদের সেখানে পৌঁছাতে বাধা দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, কেরালার নেতা পিনারাই বিজয়নকেও আটক করে দীর্ঘ সময় রাস্তায় ঘোরানো হয় এবং অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। ভোটার তালিকায় কারচুপি এবং নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্তির জন্য ব্যবহৃত ফর্ম ৬-এর পরিবর্তন সংক্রান্ত বিতর্ককে কেন্দ্র করেই এই বিক্ষোভের সূচনা হয়।