ডেইলি বাংলাগ্রাম

মধ্যবর্তী নির্বাচনে ধাক্কা খেলে ইরানে বড় হামলার নির্দেশ দিতে পারেন ট্রাম্প

আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টি বড় ধরনের পরাজয়ের মুখে পড়লে ইরানে বিস্তৃত সামরিক অভিযানের অনুমোদন দিতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

মধ্যবর্তী নির্বাচনে ধাক্কা খেলে ইরানে বড় হামলার নির্দেশ দিতে পারেন ট্রাম্প

আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টি বড় ধরনের পরাজয়ের মুখে পড়লে ইরানে বিস্তৃত সামরিক অভিযানের অনুমোদন দিতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছে। এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, নির্বাচনে কোনো কারণে ট্রাম্প বিব্রতবোধ করলে তিনি হঠাৎ কোনো আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ নিতে পারেন। আর এই বার্তাটিই ইরানি কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছে দিয়ে বলা হচ্ছে, যেকোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর এখনই উপযুক্ত সময়। তবে হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছেন, নির্বাচনের ফলাফলের ওপর ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে না।

এদিকে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সরাসরি আলোচনা ফের শুরু করতে কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা শুক্রবার ইরানে টানা ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বৈঠক করেছেন। শনিবার দোহায় এই আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার কথা রয়েছে। তবে দুই পক্ষের পরস্পরবিরোধী শর্তের কারণে অগ্রগতি থমকে আছে। আলোচনার টেবিলে ফেরার শর্ত হিসেবে ওয়াশিংটন পরমাণু বিষয়ে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে তেহরান চায় নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, আটকে রাখা অর্থ ছাড় এবং তেল বিক্রির অনুমতি। পাশাপাশি ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতরেও এ নিয়ে মতভেদ রয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও কোনো ধরনের সমঝোতার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তবে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং দুই দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার কূটনৈতিক আলোচনার পক্ষে মত দিয়েছেন।

বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি ঘিরে যখন তীব্র উত্তেজনা চলছে, তখনই এসব তথ্য প্রকাশ্যে এলো। এর আগে চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল, যার পাল্টা জবাব দেয় তেহরান। পরবর্তীতে নানা কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং গত জুনে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়। তা সত্ত্বেও প্রণালিটির নিরাপত্তা ও জাহাজ চলাচল ব্যবস্থা নিয়ে দেশ দুটির মধ্যে বিরোধ এখনো কাটেনি।